“শুভ জন্মদিন” কবি কামিনী রায়

প্রকাশের সময় : 2018-11-07 17:21:05 | প্রকাশক : Admin
“শুভ জন্মদিন” কবি কামিনী রায়

রাকিবুল হাসানঃ বাংলা সাহিত্যে একজন প্রথিতযশা বাঙালী কবি, নারীবাদী লেখিকা কামিনী রায়। কবি কামিনী রায় ১৮৬৪ সালের ১২ অক্টোবর, বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জের বাসন্ডা গ্রামে জন্মেছিলেন। তিনি ছিলেন তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের প্রথম মহিলা স্নাতক ডিগ্রিধারী ব্যক্তিত্ব। পিতার দেওয়া নাম কামিনী সেন। বিয়ের পর স্বামী কেদার নাথ রায়ের পদবি যুক্ত হয়ে হন কামিনী রায়।

১৮৮৬ সালে কলকাতা বেথুণ কলেজ থেকে কামিনী রায় সংস্কৃত ভাষায় সম্মানসহ স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর তিনি বেথুন কলেজেই শিক্ষকতা শুরু করেন এবং পরবর্তীতে অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন। সেসময় হিন্দু নারীদের লেখাপড়া করা ছিল নিন্দণীয় ও গর্হিত ব্যাপার।

কবি কামিনী রায় ৮ বছর বয়স থেকে কবিতা লিখতেন। ১৮৮৯ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কাব্য গ্রন্থ ‘আলো ও ছায়া’; যার মাধ্যমে তিনি তৎকালীন পাঠক সমাজে ব্যাপক সমাদৃত হন। তাঁর বিখ্যাত কবিতার দুটি উক্তি, পরের কারণে স্বার্থ দিয়া বলি, এ জীবন মন সকলই দাও; সকলের তরে সকলে আমরা, প্রত্যেকে আমরা পরের তরে!! তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে নির্মাল্য (১৮৯১),  মাল্য ও নির্মাল্য (১৯১৩), দ্বীপ ও ধূপ (১৯২৯)। শিশুদের জন্য লিখিত গ্রন্থসমূহ হচ্ছে, পৌরাণিকী (১৮৯৭), গুঞ্জন(১৯০৫), বালিকা শিক্ষার আর্দশ (১৯১৮)। ঠাকুরমার চিঠি (১৯২৪) প্রভৃতি। অম্বা (১৯১৫) তাঁর লেখা জনপ্রিয় নাটকের মধ্যে অন্যতম। এবং চন্দ্রাতীরের জাগরণ নাট্যকাব্যটি বিশেষ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। এছাড়াও তাঁর রয়েছে বেশকিছু অনুবাদ গ্রন্থ উল্লেখ্য ধর্ম্মপুত্র (১৯০৭)।

১৮৯৪ সালে কেদারনাথ রায়ের সাথে কামিণী রায়ের বিয়ে হয়। তাঁদের পরিবারের জন্ম হয় ৩ সন্তানের। ১৯০০ সালে তাদের প্রথম সন্তানটি মারা যায়। ১৯০৩ সালে কামিনী রায়ের বোন প্রম কুসুম মারা যায়। ১৯০৬ সালে তার ভাই ও বাবা মারা যান। এরপর তার সন্তান লীলা ও অশোকের মৃত্যু হলে সবাইকে হারিয়ে তিনি নিঃস্ব হয়ে পড়েন।

সব হারানোর ব্যথা তার রচনায় এক অন্যন্য মাত্রা পায়। সেসময়ে মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থাও এক বিরল ঘটনা ছিল, এবং কামিনী রায় হয়ে উঠেছিলেন নারীবাদে বিশ্বাসী। লিখেছেন সকল অসঙ্গতির বিরুদ্ধে ও নারী জাগরনের পক্ষে। তিনি ১৯২২-২৩ সালে নারী শ্রম তদন্ত কমিশনের সদস্য ছিলেন।

শেষ জীবনে তিনি ভারতের ঝাড়খন্ড রাজ্যের হাজারীবাগে বসবাস করতেন এবং ১৯৩৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর সেখাইে তাঁর জীবনাবসান ঘটে। -তথ্যসুত্রঃ উইকিপিডিয়া/এইবেলা/গুগল

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ রফিকুল ইসলাম সুজন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com