বদলে যাচ্ছে বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম

প্রকাশের সময় : 2019-06-26 20:08:19 | প্রকাশক : Administration
বদলে যাচ্ছে বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম

সিমেক ডেস্কঃ ‘চট্টগ্রামের উন্নয়ন আমি নিজ হাতে তুলে নিলাম’- ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দানে এ ঘোষণা আসে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে। প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায় ও বাস্তবতার নিরিখে শুধু চট্টগ্রাম মহানগর নয়, বৃহত্তর চট্টগ্রামজুড়ে সরকার এক লাখ কোটি টাকারও বেশি ব্যয়সাপেক্ষ বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করে। বিদ্যুত, গ্যাস, যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন খাতে ইতোমধ্যে বহু প্রকল্প আলোর মুখ দেখেছে। কিছু সমাপ্তির পথে। চট্টগ্রামের মানুষ আশাবাদী। কারণ, এসব প্রকল্পের সুফল শুধু চট্টগ্রামবাসীই নয়, গোটা দেশবাসীর জন্য বয়ে আনবে সফলতা।

কক্সবাজারের মহেষখালীর এলএনজি টার্মিনাল, তাপবিদ্যুত প্রকল্প, বাঁশখালীর তাপবিদ্যুত প্রকল্প, মীরসরাই ও আনোয়ারায় দুটি বিশাল অর্থনৈতিক জোন, চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থেকে এর দক্ষিণপাড়ে আনোয়ারায় সমুদ্র তলদেশ দিয়ে টানেল নির্মাণ প্রকল্প ছাড়া শুধু চট্টগ্রাম মহানগরীতে নেয়া হয়েছে ১৪ হাজার কোটি টাকায় ১১ প্রকল্প। এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন এককভাবে দেয়া হয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) ওপর। প্রকল্প বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় চউকের কর্ণধার অর্থাৎ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালামকে পাঁচ দফায় এক্সটেনশনও দিয়েছেন।

বর্তমানে চলমান সংস্থার আট মেগা প্রকল্পের কাজ যখন সম্পন্ন হবে তখন দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এ নগরীর বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের চেহারা ভিন্ন রূপ যে নেবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। তবে সকল সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে সে কথা বলা যাবে না। কারণ, এ নগরে মানুষ বাড়ছে, তেমনি সমস্যাও বাড়ছে। যানবাহন বাড়ছে। সুতরাং নতুন নতুন সঙ্কটও তৈরি হচ্ছে।

বর্তমানে চউকের নিয়ন্ত্রণে যেসব প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে তার মধ্যে রয়েছে পতেঙ্গা থেকে ১৮ কিলোমিটার সিটি আউটার রিং রোড, পতেঙ্গায় বিশ্বমানের পর্যটন কেন্দ্র, ফৌজদারহাট থেকে বায়েজিদ বোস্তামী রোডের ৬ কি.মি. বাইপাস রোড, অনন্যা উপশহর প্রকল্প আবাসিক ২শ’ ফ্লাটের ‘সিডিএ স্কয়ার’ প্রকল্প, মহানগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প, চাক্তাই খালের মুখ থেকে কালুরঘাট ব্রিজ পর্যন্ত কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী ৮ কি.মি. বাঁধ ও রাস্তা নির্মাণ, লালখান বাজার থেকে বিমান বন্দর পর্যন্ত ১৮ কি.মি. এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্প।

এই আট মেগা প্রকল্পের বিপরীতে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া ইতোমধ্যে চউকের তত্ত্বাবধানে ৬ হাজার কোটি টাকায় অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ ৩০ বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। এসবই খোদ প্রধানমন্ত্রীর দেয়া প্রতিশ্র“তির অংশ।

চউকের উদ্যোগে আরও সেসব প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলছে তন্মধ্যে রয়েছে অনন্যা আবাসিক এলাকায় আন্তর্জাতিকমানের এ্যাপোলো নামের হাসপাতাল, বাকলিয়ায় কল্পলোক আবাসিক এলাকায় চট্টগ্রামের একমাত্র মডেল মসজিদ, সল্টগোলায় নারী শ্রমিকদের জন্য ডরমিটরি। বাস্তবায়িত হয়েছে বহদ্দারহাট জংশনে এমএ মান্নান ফ্লাইওভার, কদমতলী ফ্লাইওভার, মুরাদপুর থেকে লালখান বাজার পর্যন্ত আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু ফ্লাইওভার, দেওয়ানহাট ওভারপাস, কাজির দেউড়ি মার্কেট আধুনিকায়ন, নিউমার্কেটের সংস্কার সাধন।

সরকারের টানা দু’বারের ক্ষমতায় থাকার সময়ে চট্টগ্রামের উন্নয়ন চিত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, এ নগরে বড় সব মেগাপ্রকল্প চউক দিয়েই বাস্তবায়ন হয়েছে, হচ্ছে, কয়েকটি সমাপ্তির পথে। কর্ণফুলীর তলদেশ দিয়ে যে টানেল নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে এটিও সর্বপ্রথম চউকের চিন্তায় আসে, যা পরবর্তীতে ভিন্ন সংস্থা দিয়ে বাস্তবায়ন হচ্ছে চীনা আর্থিক সহায়তায়। - সূত্রঃ জনকণ্ঠ

 

সম্পাদক ও প্রকাশক: সরদার মোঃ শাহীন
উপদেষ্টা সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম সুজন
বার্তা সম্পাদক: ফোয়ারা ইয়াছমিন
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: আবু মুসা
সহ: সম্পাদক: মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিস: ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা।
বার্তা বিভাগ: বাড়ি # ৩৩, রোড # ১৫, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা।
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com